জাতীয় নাগরিক পার্টির সামান্তা শারমিন: অন্তর্বর্তী সরকার শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে"
🖋 প্রতিবেদক:
বিডিএস বুলবুল আহমেদ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন সম্প্রতি রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অনুষ্ঠিত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের অবস্থান কর্মসূচিতে এক গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দেন। তার বক্তব্যে, তিনি বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারকে আক্রমণ করে বলেন, "সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে দেশের জনগণের সেবা করা, কিন্তু এই সরকার আজ দেশের শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।"
শারমিন অভিযোগ করেন, “আন্তর্বর্তী সরকার দেশের জনগণের ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে ক্ষমতায় এসেছে। অথচ, এখন তারা ৩০০ কোটি টাকা খরচ করে মন্ত্রণালয়ে গাড়ি কেনার কাজ করছে, আর যখন শিক্ষকদের বেতন বাড়ানোর কথা আসে, তারা বলে, সরকারের কাছে টাকা নেই।"
তিনি আরও বলেন, "এই সরকার শিক্ষকদের অবমূল্যায়ন করেছে। আমাদের দেশের শিক্ষাব্যবস্থা যে বিপদে পড়েছে, তা ঠেকাতে শিক্ষা কমিশন গঠনের দাবি আমরা বহুদিন ধরে জানিয়ে আসছি। কিন্তু তারা তাতে কর্ণপাত করছে না।"
শারমিন মনে করেন, সরকার শিক্ষা ও শিক্ষক শিক্ষিকাদের প্রতি যথাযথ মনোযোগ না দিয়ে তাদের অবমূল্যায়ন করছে। তিনি বলেন, “এনসিপি শিক্ষা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর পক্ষপাতী, কিন্তু বর্তমান সরকার তা নয়। শিক্ষকরা তাদের প্রশিক্ষণ, বেতন ও ভাতার বিষয়ে চরম অবহেলার শিকার। সরকার দাবি পূরণের কথা বললেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না।”
এনসিপি নেত্রী বর্তমান শিক্ষা উপদেষ্টা নিয়োগ নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আমরা আশা করেছিলাম যে, তিনি একজন শিক্ষক হিসেবে শিক্ষকদের অবমূল্যায়ন বুঝবেন, কিন্তু তার কার্যক্রম দেখে আমরা হতাশ। মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির পর তার কর্মকাণ্ড দেশের শিক্ষকদের জন্য হতাশাজনক।”
সামান্তা শারমিন এনসিপির পক্ষ থেকে শিক্ষকদের সঙ্গে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, “শিক্ষকদের দাবির প্রতি আমাদের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। ২০ শতাংশ বাড়িভাড়া বা ৫০০ টাকা চিকিৎসাভাতা বাড়ানোর মতো ছোট দাবিও এই অন্তর্বর্তী সরকার পূরণ করতে পারছে না, যা একেবারে অগ্রহণযোগ্য।”
এনসিপি নেত্রী শিক্ষকদের আন্দোলনের প্রতি সম্পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে বলেন, “শিক্ষকদের দাবি মেনে নেয়ার জন্য সরকারকে বাধ্য করা হবে। জাতীয়করণ দূরে থাক, এমনকি বাড়িভাড়া বা চিকিৎসাভাতা বাড়ানোও তারা চাইছে না। তাদের আন্দোলনকে অবজ্ঞা করা হবে না, আমরা তাদের পাশে আছি।”
📝 সূত্রসমূহ:
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |